এটি এমন একটি পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট যা চোখের দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে এবং চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে সাধারণত লুটেইন (Lutein), জিক্সানথিন (Zeaxanthin), ভিটামিন-এ, সি, ই এবং জিংক থাকে।
লুটেইন ও জিক্সানথিন: এগুলো চোখের রেটিনাকে ক্ষতিকর নীল আলো (Blue Light) থেকে রক্ষা করে এবং বয়সের কারণে সৃষ্ট দৃষ্টিশক্তি হ্রাস (AMD) কমায়।
ভিটামিন সি ও ই: এগুলো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে চোখের কোষকে অক্সিডেটিভ ড্যামেজ থেকে বাঁচায়।
জিংক ও কপার: জিংক ভিটামিন-এ কে লিভার থেকে রেটিনায় পৌঁছাতে সাহায্য করে যা চোখের সুরক্ষামূলক পিগমেন্ট তৈরি করে। কপার জিংকের ভারসাম্য বজায় রাখে।
ভিটামিন-এ: এটি কর্নিয়াকে পরিষ্কার রাখতে এবং কম আলোতে বা রাতে দেখতে সাহায্য করে।
২. উপকারিতা:
চোখের ক্লান্তি এবং ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে ছানি (Cataract) পড়া এবং ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (AMD) এর ঝুঁকি কমায়।
চোখের শুষ্কতা (Dry Eyes) দূর করতে এবং রেটিনার কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক।
৩. সতর্কতা ও পরামর্শ: এটি কোনো ঔষধের বিকল্প নয়, বরং খাবারের পরিপূরক। সাপ্লিমেন্ট শুরু করার আগে অবশ্যই একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। অতিরিক্ত সেবনে মাথাব্যথা বা যকৃতের সমস্যা হতে পারে।
আপনি যদি নির্দিষ্ট কোনো ব্র্যান্ডের সাপ্লিমেন্ট সম্পর্কে জানতে চান, তবে Directorate General of Drug Administration (DGDA) এর ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নিতে পারেন।